৮১ মিনিট আগের আপডেট; রাত ১:২২; শুক্রবার ; ০৭ মে ২০২১

পশ্চিমবঙ্গে ঘৃণা ছড়িয়েছে মোদি-অমিত শাহ

অনলাইন ডেস্ক ০৪ মে ২০২১, ১২:২৩

গত ৪ মাস ধরে পশ্চিমবঙ্গে ঘৃণা ছড়িয়েছে মোদি-অমিত শাহ বলে মন্তব্য করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও'ব্রায়েন।

সহিংসতার ঘটনা বিজেপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের পরিণাম বলে দাবি করে তিনি বলেন, 'ফলপ্রকাশের পর ট্রোলারদের ছুটি দিতে পারত বিজেপির আইটি সেল।  প্রতিটি ঘটনাই দলের অন্তর্কলহ। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির তিনটি দল রয়েছে। পরস্পরকে তারা ঘৃণা করে। গত ৪ মাস ধরে মো-শা (মোদি ও অমিত শাহ) এখানে এসে ঘৃণা ছড়িয়েছে।  শান্তি ও সম্প্রীতি চায় পশ্চিমবঙ্গ। বিভাজন চায় বিজেপি।'

নির্বাচনে একাধিকবার বাংলাদেশ ও তৃণমূল কংগ্রেসকে নিয়ে নানা বিতর্কিত বক্তব্য রেখেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলাদেশিদের বারবার অনুপ্রবেশকারী হিসেবে কটাক্ষ করেছে তারা।

এদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভায় চরম ভরাডুবির পর ধর্মীয় বিভেদের জন্য অনেক ভুয়ো খবরও ছড়াচ্ছে বিজেপি বলে অভিযোগ করেছেন সিপিআইএমের আলোচিত নেত্রী ঐশী ঘোষ।

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশী বলেন, ধর্মীয় বিভেদের জন্য অনেক ভুয়ো খবরও ছড়ানো হচ্ছে।  বাম কর্মী-সমর্থকরা হামলার শিকার হলেও যে কোনও তথ্য শেয়ার করার আগে তা যাচাই করে নেবেন।  খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয়ে আক্রান্ত হয়ে রক্তাক্ত হয়েছিলেন দুর্গাপুরের বাসিন্দা ঐশী ঘোষ। তার সেই ছবি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয়। অভিযোগ, আরএসএসের শাখা সংগঠন এবিভিপি তার ওপর হামলা করে।  ঐশীর ওপর হামলার ঘটনায় ভারতজুড়ে প্রবল আন্দোলন হয়েছিল।

নির্বাচনী প্রচারণায় বিজেপি বারবার বলেছে, তারা দুই শতাধিক আসনে জিতবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা পশ্চিমবঙ্গে বারবার সফর করেছেন। নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এমনকি মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রাবন্তীর মতো জনপ্রিয় একঝাঁক অভিনেতা-অভিনেত্রীদেরও মাঠে নামিয়েছে। তৃণমূলের শতাধিক নেতাকে দলে বাগিয়ে নিয়েছিল।

এত কিছুর পরও নির্বাচনে জিততে পারেনি, বিভিন্ন আসনে বিশাল বিশাল ব্যবধানে হেরেছে নরেন্দ্র মোদির দল।এমনকি ২০১৯ সালে জেতা সংসদীয় আসনগুলোতেও চরমভাবে ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপি। দুই শতাধিক আসনে রেকর্ড গড়ে আবারও পশ্চিমবঙ্গের মসনদে মমতার দল।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, জিনিউজ


সর্বমোট পাঠক সংখ্যা : ৪০