৭১৩৫ মিনিট আগের আপডেট; রাত ৮:২৯; রবিবার ; ১৬ জুলাই ২০২৪

মাইজকাকারা একতা যুব সমবায় সমিতির নামে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ০৮ জুন ২০২১, ২৩:৪০

‘মাইজকাকারা যুব একতা সমবায় সমিতির নামে বনভূমি ও অসহায় ব্যক্তির জমি দখলের অভিযোগ’ শিরোনামে গত ৪ জুন বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ এবং পরবর্তীতে দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকায় ‘সমিতির নামে জায়গা দখল’ শিরোনামসহ বিভিন্ন দৈনিক এবং অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত সংবাদটি আমাদের সমিতির নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, গভীর ষড়যন্ত্রমূলক, রহস্যজনক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকাশিত সংবাদে মিথ্যার বেসাতি ছাড়া সত্যের লেশমাত্রই নেই। তাই প্রকাশিত সংবাদটির বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি এই মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও প্রস্তুতি নিচ্ছি।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, চকরিয়ার মাইজকাকারা যুব একতা সমবায় সমিতির নাম দিয়ে দিনদুপুরে অন্যের জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ক্লাবের নাম দিয়ে অর্ধশতাধিক লাঠিয়াল বাহিনী দালানঘর নির্মাণকাজে সহায়তা করছেন। প্রতিবাদ করায় সংগঠনটির সদস্যরা উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। চকরিয়া পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের হালকাকারা সওদাগর পাড়ার বাসিন্দা এবিএম সাকের গত ২০১১ সালে কাকারা ইউনিয়নের মাইজ কাকারার বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ ও নুরুল কাদেরের কাছ থেকে জায়গা ক্রয় করে সবজি চাষসহ ভোগদখলে রয়েছেন।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে, ১৯৯২ সালে ‘মাইজ কাকারা একতা যুব সমবায় সমিতি লি. এর কার্যালয় স্থাপন করা হয়। এর পর উপজেলা সমবায় কার্যালয়ে সমিতির নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। যার নিবন্ধন নং- ৪৪৫/১৯৯৯)। এর পর ২০০৯ সালের ৯ জুলাই ৩৪৭৭ নম্বর রেজিস্ট্রিকৃত দলিলমূলে মাইজ কাকারা একতা যুব সমবায় সমিতি লি. এর নামে বিপুল পরিমাণ জায়গা ক্রয় করা হয় মরহুম সফর আলীর পুত্র সুলতান আহমদ, মো. আবদুল গণি, রহিমা খাতুন, ছুপিয়া খাতুন, রশিদা খাতুন, হোসনে আরা বেগম ও তাদের আরেক ওয়ারিশ মরহুম কালা মিয়ার পুত্র ছৈয়দ আহমদের কাছ থেকে। সমিতির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমিতির কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও সার্বিকভাবে অদ্যাবদি পরিচালিত হয়ে আসছিল ওই কার্যালয়ে।

কিন্তু অভিযোগকারী এবিএম সাকের জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সমিতির ক্রয়কৃত জায়গায় তার বলে দাবি করে বিভিন্ন আদালতে ও থানায় অভিযোগ করলেও অভিযোগের নিষ্পত্তির সময় সে বার বার অনুপস্থিত থেকে রহস্যজনক আচরণ করে আসছেন। তার এই রহস্যজনক আচরণে সমিতির নেতৃবৃন্দের কাছে প্রতিয়মান হয়েছে যে, তার দাবি অযৌক্তিক এবং সম্পূর্ণ অবৈধ। যার কারণে সে আদালত-থানায় অভিযোগ করেও পরবর্তীতে অনুপস্থিত থেকে আসছেন। স্থানীয় সালিশ বৈঠকেও তার দাবি অগ্রাহ্য হয়।

এখানে উল্লেখ্য যে, প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, তার ক্রয়কৃত জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করতেছি। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, সমিতির নামে ক্রয়কৃত জায়গার ওপর অন্তত ২০০৮ সালে স্থায়ী কার্যালয়সহ দোকানঘর নির্মাণ করা হয়েছে। যা সরজমিন যে কেউ দেখলে বা স্থানীয়ভাবে তথ্য নিলে আসল সত্য বের হয়ে আসবে।

অপরদিকে সমিতির নেতৃবৃন্দকে ইয়াবা ব্যবসায়ী, বনভূমি দখলকারীসহ নানা ধরণের মানহানিকর অপবাদ দেওয়া হয়েছে প্রকাশিত সংবাদে। এ ধরণের মানহানিকর অপবাদ কোন অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এই বিষয়ে ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি, আমাদের সমিতির কোন সদস্য কোন ধরণের খারাপ কাজের সাথে সম্পৃক্ত নয়। তাই আমরা এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে আদালতের শরণাপন্ন হতে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

অতএব প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ষড়যন্ত্রমূলক ও রহস্যজনক। তাই প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই মিথ্যা সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী-মাইজ কাকারা একতা যুব সমবায় সমিতি লি. এর পক্ষে বর্তমান কমিটির সভাপতি আবদুল মোনাফ, সহ-সভাপতি রশিদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সদস্য যথাক্রমে শমশুল আলম, হাবিবুর রহমান, হাজি আলী আহমদ, মোহাম্মদ হোছন প্রমূখ।