৩০ মিনিট আগের আপডেট; রাত ৪:৪৪; সোমবার ; ২৫ অক্টোবর ২০২১

কানাডার আদালতে মুক্তি পেয়ে চীনে ফিরলেন হুয়াওয়ের মেং ওয়ানঝু

অনলাইন ডেস্ক ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২১

চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন ঝেংফেইয়ের মেয়ে এবং হুয়াওয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝু মুক্তি পেয়েছেন। কানাডায় তিন বছর গৃহবন্দী থাকার পর গতকাল শুক্রবার ভ্যাঙ্কুভার আদালতে শুনানি শেষে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পরে মেং দ্রুত শেনজেন বিমানবন্দর থেকে এয়ার চায়না ফ্লাইটে চীন চলে যান। 

এজেন্স ফ্রান্স-প্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেংয়ের মামলা স্থগিত করা হয়েছে। চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে মামলাটি পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে। 

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউ ইয়র্কে মার্কিন প্রসিকিউটরদের চুক্তি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি পান মেং। চুক্তির আওতায়, আগামী বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেংয়ের মামলা স্থগিত করা হয়েছে। চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে মামলাটি পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে। এই বাধ্যবাধকতার মধ্যে একটি—চুক্তির অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত তথ্যের বিবৃতির বিরোধিতা না করা, তিনি দোষী নন এমন আবেদন বজায় রাখা অথবা স্বাক্ষরটি তিনি অনিচ্ছাকৃতভাবে করেছেন। 

আদালতের শুনানির সবগুলো চুক্তি তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। 

মুক্তি পেয়ে মেং গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, 'গত তিন বছরে আমার জীবন উল্টে গেছে। মা, স্ত্রী এবং কোম্পানির নির্বাহী হিসেবে আমার জন্য এটি একটি অসুবিধাজনক সময় ছিল। তবে এটি সত্যিই আমার জীবনের একটি অমূল্য অভিজ্ঞতা ছিল।' জীবনে যত বেশি অসুবিধা, তত বেশি সমৃদ্ধি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 

মেংয়ের আইনজীবী উইলিয়াম টেলর বলেন, 'এখন, তিনি দেশে ফিরে স্বাধীনভাবে পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারবেন। তিনি দোষ স্বীকার করেননি এবং আমরা পুরোপুরি আশা করি যে অভিযোগটি চৌদ্দ মাস পরে খারিজ হয়ে যাবে।' 

প্রসঙ্গত, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেওয়া নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে স্কাইকম নামের এক অনানুষ্ঠানিক সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের টেলিকম কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসা করছে হুয়াওয়ে। এ কার্যক্রমে এইচএসবিসি ব্যাংককে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে মেংকে ব্যাংক ও জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর কানাডার ভ্যাঙ্কুভার বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর থেকে তাঁকে গৃহবন্দী হিসেবে নজরদারিতে রাখা হয়। 


সর্বমোট পাঠক সংখ্যা : ৯১