১১৭ মিনিট আগের আপডেট; রাত ৯:৪৯; রবিবার ; ০৪ ডিসেম্বর ২০২২

খুরুশকুল তেতৈয়ায় বাবুলের নেতৃত্বেই পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা করা হয়: শেখ কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার ১৭ নভেম্বর ২০২১, ২৩:৪৪

গত ১১ নভেম্বর সদর উপজেলার খুরুশকুলের তেতৈয়ায় ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী আবু বক্কর ছিদ্দিক বাবুলের নেতৃত্বেই পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী সহিংসতা সংঘটিত করা হয়। তাঁর ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হাতেই খুন হয় নৌকার কর্মী আখতারুজ্জামান পুতু।

কিন্তু এই ঘটনায় উল্টো তালা প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী শেখ কামালসহ তাঁর লোকজনকে জড়ানো হয়েছে। যা খুবই উদ্বেগজনক। বুধবার (১৭ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেন মেম্বার প্রার্থী শেখ কামাল। 

তিনি জানান, নির্বাচনের আগের দিন ভোট কেন্দ্রে বাবুলসহ আরও কয়েকজন যুবক প্রিসাইডিং অফিসারের সাথে বসে কথা বলছিলেন। আমি সেখানে গিয়ে কারণ জানতে চাইলে বাবুল আমাকে পরদিন দেখে নেওয়ার হুমকী দেন। বিষয়টি আমি মনে না নিয়ে বাড়িতে চলে আসি।

মেম্বার প্রার্থী শেখ কামাল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন সকালে তিনি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখেন সাধারণ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন। যা দেখে তিনি নিজেও খুশি হন। কিন্তু সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি ভোট কেন্দ্রের ২য় তলায় গিয়ে দেখেন কিছু ব্যক্তি চেয়ারম্যানের ব্যালটে সিল মারছে। এসময় সেখানে ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী আবু বক্কর ছিদ্দিক বাবুলও ছিলেন।

বাবুলকে গিয়ে শেখ কামাল জানায় যে, চেয়ারম্যানের ব্যালটে সিল মারলেও মেম্বার নির্বাচন যেন সুষ্ঠু হয় সেজন্য মিলেমিশে কাজ করতে। কিন্তু তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে হঠাৎ শেখ কামালকে মারধর করতে থাকে বাবুল বাহিনী। তাকে মারতে দেখে আখতারুজ্জামান ও ৩ পুলিশ সদস্য এগিয়ে আসলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করা হয়। একপর্যায়ে আখতারুজ্জামানের পেটে ও বুকে ছুরি মেরে তাকে হত্যা করা হয়। তবুও ক্ষান্ত হয়নি বাবুল বাহিনী।

শেখ কামালকে তাঁরা মারতে মারতে ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। ভোট কেন্দ্র থেকে চলে যেতে চাইলেও শেখ কামালকে এলোপাতাড়ি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে বাবুলের সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় শেখ কামালকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে শেখ কামাল চট্টগ্রামে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে দাবি করেন।

মেম্বার প্রার্থী শেখ কামাল বলেন, নির্বাচনের দিন কারা এমন জঘন্য ঘটনার জন্ম দিয়েছে তা সবাই দেখেছে। কিন্তু এ ঘটনায় উল্টো হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিয়ে নির্যাতিত ও হামলার শিকার শেখ কামালকে ১নং আসামী করে মামলা করেন প্রিসাইডিং অফিসার। প্রিসাইডিং অফিসার নিজেও সব ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। তাই নিরহ মানুষকে হয়রানি না করে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন মেম্বার প্রার্থী শেখ কামাল।