৭০৫ মিনিট আগের আপডেট; দিন ৫:১৪; রবিবার ; ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

আলীকদমে শান্তিচুক্তির বর্ষপূর্তিতে সেনা জোনের আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি, আলীকদম ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯:০৩

বান্দরবানে আলীকদম উপজেলায় সেনা জোনের আয়োজনে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫তম বর্ষপূর্তি পালনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়। ‘সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখি সমৃদ্ধ বান্দরবান গড়ি’ এ স্লোগানে ২ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল নয়টায় পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়।

এরপর মুরুং, মার্মা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা ও বাঙ্গালীদের সম্মিলনে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন আলীকদম সেনা জোনের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল সাব্বির হাসান পিএসসি, উপ-অধিনায়ক মেজর সাজ্জাদ শহিদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম, ইউএনও জাবের মোঃ সোয়াইব ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ। আনন্দ র‌্যালীটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত প্রদক্ষিণ শেষে বিদ্যালয়ের মাঠে এসে আলোচনা সভায় যোগ দেয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সেনা জোনের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল সাব্বির হাসান, পিএসসি। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম, লামার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান, আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাবের মোঃ সোয়াইব, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য দুংড়িমং মার্মা, মুরুং নেতা ইয়োংলক মুরুং ও ত্রিপুরা নেতা আগস্টিন ত্রিপুরা প্রমুখ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিন আক্তার, মিল্কি দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, বাথোয়াইচিং মার্মা, জয়নাল আবেদিন, কফিল উদ্দিন, ক্রাতপুং ম্রো, প্রমুখ। এছাড়াও আলীকদম প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমদ, লামা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামানসহ প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে অসহায়, দুঃস্থ ও গরীবদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। বিকেলে স্থানীয় সুধিজন, সৈনিকদের সমন্বয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে সরকারের সাথে তৎকালীন শান্তি বাহিনীর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তাই এ দিনটির স্মরণে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে শান্তিচুক্তির পক্ষে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা আয়োজন করা হয়।