৭৬১ মিনিট আগের আপডেট; দিন ৬:১০; রবিবার ; ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

বিশ্বব্যাংক এমডি বললেন-বাংলাদেশের উন্নয়ন-প্রবৃদ্ধির সাফল্য বহু দেশের কাছে অনুপ্রেরণা

আমার কক্সবাজার ডেস্ক ২৪ জানুয়ারী ২০২৩, ২০:৫৩

আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ। 

আজ মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তকরণে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তিন দিনের সফর শেষ আজ ফিরে যান অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির সাফল্য বহু দেশের কাছে অনুপ্রেরণা। বাংলাদেশ বহু চ্যালেঞ্জ সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। দ্রুততম সময়ে দারিদ্র্য বিমোচনে যেমন সফল হয়েছে, তেমনি দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবনী ক্ষমতা দেখিয়েছে।

অ্যাক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ আরও বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এ ছাড়া কোভিড–১৯ এবং রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির বাধা দূর করতে বিশ্বব্যাংক কাজ করছে।

সফরকালে গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভ্যান ট্রটসেনবার্গ। এ সময় তিনি জলবায়ু অভিযোজন এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতিতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

সফরকালে তিনি গত রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া সফরকালে তিনি কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার।

গত ৫০ বছরে বাংলাদেশকে সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ অর্থ কাজে লেগেছে দারিদ্র্য বিমোচেনে। রাস্তাঘাট, ভবনসহ বড় অবকাঠামো নির্মাণেও অর্থ দিয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতে বিশ্বব্যাংক দশকের পর দশক অর্থ দিয়ে আসছে।