৭১২২ মিনিট আগের আপডেট; রাত ৮:১৬; রবিবার ; ১৬ জুলাই ২০২৪

আফগানদের উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

আমার কক্সবাজার ডেস্ক : ৩১ মার্চ ২০২৩, ১১:৫৬

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই হেরেছিল বাংলাদেশের যুবারা। আফগানিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই দুই হারের পর টুর্নামেন্টে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় অনূর্ধ্ব-১৯। তারই প্রেক্ষিতে টানা তিন জয় তুলে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজটাই নিজেদের করে নিলো বাংলাদেশ।

গতকাল ফাইনালে আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা জেতে জুনিয়র টাইগাররা। আবুধাবির টলেরেন্স ওভালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্পিনার মাহফুজুর রহমানের ঘূর্ণিজাদুর সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন আফগানিস্তানের ব্যাটাররা।

দলটির ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৭ রানে। জবাবে ৪ উইকেট হারালেও ২৩.২ ওভারে জিতে যায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে আফগান ব্যাটিং লাইনআপ।

ষষ্ঠ ওভারে হিজবুল্লাহ দোরানিকে বিদায় করে উইকেটের খাতা খোলেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মারুফ মৃধা। দলীয় ৫০ পেরোতেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানিস্তান। এর মধ্যে ৩ উইকেট নেন মাহফুজ একাই। এক সময় ৬০ রানে ৫ উইকেট হারানো আফগানরা একশ ছাড়ায় মোহাম্মদ হারুন ও খালিদ তানিওয়ালের ৫৪ রানের জুটিতে ভর করে। তবে একশ ছাড়ানোর পর ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে আফগানিস্তান। এবারও বোলিংয়ে মূল ভূমিকা রাখেন সেই মাহফুজ। পর পর দুই বলে খালিদ ও ফরহাদ ওসমানীকে বিদায় করে ৫ উইকেট পূরণ করেন তিনি। এরপর ইয়ামা আরবকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে ষষ্ঠ উইকেটের দেখাও পেয়ে যান মাহফুজ। শেষদিকে একই ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে আফগানিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন রাফি। বল হাতে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক মাহফুজ ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২৯ রান খরচে নিয়েছেন ৬ উইকেট। এর আগে যুব ওয়ানডেতে এমন কীর্তি ছিল মাত্র একজন বাংলাদেশি বোলারের।

২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৯ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন অফ স্পিনার সঞ্জিত সাহা। জবাবে বাংলাদেশের শুরুটাও অবশ্য ভালো হয়নি। ১৭ রান করে বিদায় নেন ওপেনার আশিকুর রহমান। এরপর তিনে নামা জিশান আলমের ব্যাট থেকে আসে ১৯ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। এরপর তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫৩ রান যোগ করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান মোহাম্মদ রিজওয়ান ও আরিফুল ইসলাম। আরিফুল ২২ ও রিজওয়ান করেন ৪৩ রান। বাকি কাজ অনায়াসে সারেন আহরার আমিন ও মোহাম্মদ শিহাব।