১৫৩০ মিনিট আগের আপডেট; রাত ৫:৪০; সোমবার ; ১৬ জুন ২০২৪

পেকুয়ায় জায়গার বিরোধ নিয়ে স্থানীয় দু'গ্রপের সংঘর্ষ,আহত-১৪

প্রতিনিধি, পেকুয়া থেকে ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ২০:২৬

কক্সবাজারের পেকুয়ায় জায়গার বিরোধ নিয়ে দু'গ্রপের সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এসময় নারী,পুরুষ ও শিশুসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৪জন আহত হয়েছে।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের নতুনঘোনা এলাকায় এঘটনা ঘটে।  আহতরা হলেন,একই এলাকার মৃত পেঠানের ছেলে হাবিব উল্লাহ (৫০), মৃত বদিউল হকের ছেলে মুস্তাফিজ (১৯),স্ত্রী আমেনা বেগম (৪৮), মৃত.নুরুল হকের ছেলে কবির হোসেন ওরফে নুদা মাঝি (৪০) ,তাঁর স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৩৪), মাহমুদুল করিমের ছেলে কবির হোসেন (৪০),মৃত লাল মিয়ার ছেলে নুর মোহাম্মদ (৬০), আবদুল হকের স্ত্রী আলিমুন্নেছা (৫০),মৃত.কালা মিয়ার ছেলে মাহমুদুল করিম (৪০), কবির হোসেনের ছেলে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শাহাদত হোসেন (১৩),শহর আলীর ছেলে জাকের হোসেন (৪৫),জাবের আহমদ (৪০),আবুল কালাম (৫৫), তাঁর ছেলে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জিয়াবুল করিম (১৩),আব্দুল জব্বারের ছেলে আইয়ুুব আলী ও মো.হানিফের স্ত্রী জোৎস্না আক্তার। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এদের মধ্যে মোস্তাফিজ ও নবীর হোসেনের অবস্থা  আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

এদিকে সৃষ্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন মুহুর্তে দুপক্ষের মধ্যে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।  আহত হাবিব উল্লাহ, নুর মোহাম্মদ বলেন, নতুনঘোনা জামে মসজিদের জায়গা নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য হোসাইন শহীদ সাইফুল্লাহর সাথে গ্রামবাসির বিরোধ চলে আসছিল। সে মসজিদের জায়গা জবর দখলের চেষ্টা করছে। মসজিদ পরিচালনা কমিটি সদস্য ও এলাকার নিরহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা করে ৬জনকে জেলেও পাঠায় সাইফুল মেম্বার।

কয়েকদিন আগে সাইফুল মেম্বারের বিরুদ্ধে এলাকাবাসি মানববন্ধনও করেছে। এনিয়ে গ্রামবাসির সাথে তাঁর বিরোধ চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এর জেরে সকালে সাইফুল মেম্বারের নেতৃত্বে তাঁর ভাই মিজবাহ,পিতা কামাল হোসেন,জাকের হোসেন,আইয়ুব আলী,কালু,আব্দু জাব্বার,জসিম,দিদার,রুহুল কাদের,আবুল কালাম, মোজাহের বাচ্চু, আরিফ,আবদুর রহমান ফকিরসহ ২০-২৫ জনের সংঘবদ্ধ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গ্রামবাসির ওপর হামলা চালায়। এসময় তাদের এলোপাতাড়ি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নারীসহ ৯জন গুরুতর জখম হন।

ইউপি সদস্য হোসাইন শহীদ সাইফুল্লাহ বলেন, জমি তাঁর কেনা সম্পত্তি। তাঁর নামে দলিল ও খতিয়ান সৃজন রয়েছে। মসজিদের নাম ভাঙিয়ে তারা আমার জায়গা গ্রাস করতে চায় মাহমুদুল করিম,আবদুল হক, নুরুল হুদা গং। সকালে নতুনঘোনা স্টেশনে বৈঠকের কথা বলে আমার লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এসময় তাঁর পক্ষের ৫জন আহত হন।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওমর হায়দার বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।