৪১৬ মিনিট আগের আপডেট; দিন ৭:৩১; শনিবার ; ০৪ এপ্রিল ২০২০

২৭ ফেব্রুয়ারী মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে থাকছেন জেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:০৩

আগামী বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে লাইভ সেশনে থাকছেন ২০১৯ সালে কক্সবাজার জেলার নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চকরিয়া উপজেলার গুলশান আক্তার। এদিন সকাল সাতটায় তিনি কথা বলবেন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের সাক্ষাতকার ভিত্তিক লাইভ প্রোগ্রামে। শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান শেয়ার করবেন বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহিত কর্মসুচির আলোকে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতি সর্ম্পকে।

তুলে ধরবেন প্রাথমিক শিক্ষাখাতের সমস্যা সম্ভাবনা এবং সবার মাঝে মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে সরকারের রূপরেখার গল্প। একই সঙ্গে কথা বলবেন শিক্ষাখাতের অনন্য অবদানে তাঁর সফলতার গল্প। জানাবেন প্রাথমিক শিক্ষার অভিযাত্রায় সরকারিভাবে বেশ কটি বিদেশ ভ্রমন পুর্বক অভিজ্ঞতা অর্জনের কথা।  

জানা গেছে, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০১৯ বাছাই প্রতিযোগিতায় কক্সবাজার জেলার ৮টি উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্বাচিত হন চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার।

পেছনের খবর, চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনে যোগদানের পর বদলে গেছে শিক্ষাব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন। সরকারি নির্দেশনার আলোকে তাদের সফল নেতৃত্বে এবং সুচারু দক্ষতাগুনে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতি উন্নয়নে সারাদেশের সঙ্গে সম্প্রীতির মেলবন্ধন ঘটেছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে। 

চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তারের বিরামহীন কর্মদক্ষতা, বিচক্ষনতা এবং সুদক্ষ মনিটরিংয়ের কারণে উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার মানন্নোয়নে অভাবনীয় সাফল্য ফুটে উঠেছে। পাশাপাশি শিক্ষকমন্ডলীদের মাঝে তৈরী হয়েছে শিক্ষার অগ্রগতি উন্নয়ন নিশ্চিতে কর্মদক্ষতা। যার ফলশ্রুতিতে চকরিয়া উপজেলার উপজেলার  ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেমন শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ তৈরী হয়েছে, তেমনি বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে লেখাপড়ার মানন্নোয়নের ক্ষেত্রে। 

লেখাপড়ার মানন্নোয়নের পাশাপাশি চলতি অর্থবছর পরিকল্পিত উন্নয়নে বদলে যাচ্ছে উপজেলার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ইতোমধ্যে উন্নয়নের ছোয়ায় নতুনরূপে ঢেলে সাজানো হয়েছে। তাঁর সঠিক দিকনির্দেশনায় প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে স্মার্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাস্তবে রূপ দেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্ন বিদ্যালয় ও বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা, দেখতে আকর্ষণীয়, ঝঁক-ঝঁকে ও সপ্ত-রঙে রঙিন করা হচ্ছে বিদ্যালয়গুলোকে। 

বিদ্যালয়ের ভেতরে বাইরে আকাঁ হচ্ছে দেশের ঐতিহাসিক ব্যক্তিবর্গের ছবি, জাতীয়পাখি, জাতীয় ফল-ফুল, প্রাথমিক বাংলা ও ইংরেজী বর্ণমালা। বিদ্যালয়গুলোকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করতে বিদ্যালয় গুলোকে সাজানো-গুছানো হয়েছে। উন্নত স্যানিটেশন সিস্টেম, উন্নতমানের পরিবেশ, আকর্ষণীয় বিদ্যাঙ্গন, বৃক্ষরোপনে পরিবেশবান্ধব মনোরম করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে কোন শিক্ষক অপরিচ্ছন্ন ও কুঁকড়ানো বস্ত্র পরিধান করে যেন বিদ্যালয় না আসে সেদিকে নজর রেখেছেন তিনি। 

চকরিয়া উপজেলার শিক্ষাখাতের এই ধরণের অগ্রগতি উন্নয়ন ও লেখাপড়ার মানন্নোয়ন এবং বিদ্যালয় সমুহে লেখাপড়ার সুন্দর পরিবেশ বির্নিমানে শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তারের কর্মদক্ষতা বিশ্লেষন করে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০১৯ বাছাই কমিটি জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তারকে নির্বাচিত করেছেন। 

 


সর্বমোট পাঠক সংখ্যা : ২৫৫