৭০৫৭ মিনিট আগের আপডেট; রাত ৭:১১; রবিবার ; ১৬ জুলাই ২০২৪

মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক: ২৭ অগাস্ট ২০২০, ২৩:০০

সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন নিয়ম অবশ্যই মেনে চলতে হবে। আইন অমান্য করলে মোটরসাইকেলসহ যে কোনো মোটরযানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয় ট্রাফিক বিভাগ। 

এ জন্য আপনার জরিমানাও হতে পারে। জরিমানা পরিশোধ না করলে আদালত পর্যন্ত যেতে হতে পারে।

বিভিন্ন কারণে মোটরযানের মামলা হতে পারে। রাস্তায় কর্তব্যরত যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা এ মামলা করতে পারেন। তবে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মোটরযান আইন ছাড়াও নিয়মিত মামলা হতে পারে।

মোটরযানের বৈধ কাগজপত্র না থাকলে, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ পরিবহনের জন্য রুট পারমিট, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা, উল্টোদিকে গাড়ি চালানো।

এ ছাড়া ট্রাফিক আইন না মানা- ট্রাফিক সিগন্যাল, লাইট না মেনে গাড়ি চালানো, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণেও মামলা হতে পারে। আর যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি থাকলে মামলা হতে পারে।

মামলা হলে যা করবেন

১. রাজধানীর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের চারটি জোন বা এলাকা (পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ) রয়েছে। একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি, ট্রাফিক) প্রতিটি জোনের দায়িত্ব পালন করছেন।

মামলা হলে আপনাকে প্রথমেই জানতে হবে সেটি কোন এলাকার আওতাভুক্ত। কোন ট্রাফিক বিভাগের অধীনে মামলা হয়েছে, সেটি জরিমানার সময় যে টিকিট দেয়া হয়, তার পেছনে লেখা থাকে।

২. সংশ্লিষ্ট জোনের ডেপুটি কমিশনারের দফতরে গিয়ে কিছু দাফতরিক কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে খুব সহজেই মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে জরিমানা প্রদান করতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে জরিমানা মওকুফও হতে পারে।

৩. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না করা হলে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা পাঠানো হয়। আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যুর পর পুলিশ কর্মকর্তারা রাস্তায় সংশ্লিষ্ট গাড়িটি আটক করে এবং আদালতে জরিমানার টাকা দিলে আদালত গাড়িটি ছেড়ে দেয়ার আদেশ দিতে পারেন।