৬৭৩ মিনিট আগের আপডেট; দিন ১০:৩৪; শুক্রবার ; ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

ব্লগ

Noimage

২২ নভেম্বর ২০১৯, ১৪:৪৫

শেখ মুজিব, প্রথম দেখার স্মৃতি

Abu Sumain

আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হওয়ার গল্পটি তোমাদের শোনাব।

১৯৬৪ সালের কোনো একদিন তাঁকে আমি প্রথম দেখি। অনেকের সঙ্গে কথা বলে শেখ মুজিবের সঙ্গে আমার ট্রেনে দেখা হওয়ার তারিখটি মনে হয় নির্দিষ্ট করতে পেরেছি—৮ নভেম্বর ১৯৬৪।

১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনটি ছিল পাকিস্তানের

Abu Sumain

বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে তিনি ধ্রুবতারা। তার বইয়ের ভাষায় কথার জাদুতে মোহিত হননি এমন বাঙালি পাঠক পাওয়া যাবে না। তিনি আর কেউ নন আমাদের কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ।

আকস্মিক ক্যান্সার ক্ষণজন্মা এই কথাশিল্পীকে আনন্দময় জীবন কেড়ে নেয় ২০১২ সালে। সেই থেকে প্রকৃতিও তার প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় ম্লান হয়ে আছে। তার অসামান্য সাহিত্যকীর্তি আজ বাঙালি ও বাংলাদেশের সম্প

Abu Sumain

আমাদের শিল্প সাহিত্য জগতের এক অনন্য নাম এস এম সুলতান। পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান। যদিও শৈশবে তার বাবা নাম রেখেছিলেন লাল মিয়া। বিশ্ববরেণ্য এই চিত্রশিল্পীর ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৯৪ সালের এই দিনে বিশ্বের অগণিত ভক্তকে কাঁদিয়ে যশোরের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন। পরে নড়াইলে প্রিয় জন্মভূমিতে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

১৯২৩ সাল

Abu Sumain

প্রতিমা থানে উঠতে আর দেরী নাই, রাত পোহালেই হবে দূর্গা বরণ। গলির মাথার মন্ডপে পুরোদমে কাজ চলছে। অজন্তা এই পথে রোজকার মতো আজও ওড়নায় মুখখানা ভালো করে আড়াল করে মাথা নিচু করে হেঁটে যাচ্ছে।

এই এলাকায় ও উঠেছে তাও বছর ঘুরে এল। নতুন নাম নিয়েছে জুলেখা। এই দেশে একা একটা মেয়েকে কেউ ঘর ভাড়া দিতে চায় না। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে গলির ভেতরে স্যাঁতস্যাঁতে একটা রুমে সে

Abu Sumain

১►

তখন সবে ওড়না পরা শুরু, কেমন লজ্জা লজ্জা লাগে ওড়না পরে কলেজে যেতে। ওড়না তখনও কেবল কলেজে গেলেই পরতাম। প্রথম দিন কলেজে গেলাম ওড়না ছাড়া, সবাই অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে ছিল দেখে পরদিন বাধ্য হয়েই পরলাম।

ওড়না ব্যাগে থাকে, কলেজে ঢোকার সময় ব্যাগ থেকে বের করে গলায় জড়িয়ে নেই, আবার কলেজ শেষে ব্যাগে ঢুকিয়ে নেই। একদিন কি মনে করে ওড়না পরেই রিক্সায় উঠে গেলাম। বোন

Noimage

২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:২৬

মারিয়া সালামের গল্প ‘সময়ের কাছে’

Abu Sumain

বছরের এই সময়টা চৌরাস্তার এদিকটা একদম শুনশান থাকে। মাঝে মাঝে দু`একটা রিকশা কিম্বা সাইকেল টুংটাং ঘণ্টা বাজিয়ে বড় রাস্তার দিকে যেতে যেতে ঝুপ করে অন্ধকারে মিলিয়ে যায়। বিকেল থেকে বড় বটগাছটার গায়ে ঠেস দিয়ে আমি দাঁড়িয়ে থাকি। আধঘণ্টা, এক ঘণ্টা বা দেড় ঘণ্টা। এই বড় বটগাছটার নিচে কোনো কোনো দিন সন্ধেটা এত গাঢ় হয়ে নামে, আমার গা ছমছম করে। তবু আমি ঠাঁই দাঁড়িয়ে থা

Noimage

১৫ অগাস্ট ২০১৯, ১৫:৫২

মৃত্যঞ্জয়ী মৃত্যু

Abu Sumain

জাহেদ সরওয়ার সোহেল

কোন কোন মৃত্যু জীবনের চেয়ে বড় হয়
       তাই হয়তো সব কিছু দেয়ার পর মৃত্যঞ্জয়ী মৃত্যুটা দিয়ে গেছো…
তুমি মহান, তাই বলে এতোটা ?
        সে দিনও ঘাতকের গুলির অপচয় বন্ধ করতে উজাড় করে দিয়েছো বুক
তোমাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের কথা জানতে পেরেও
        বুকে আগলে রেখেছিলে ষড়যন্ত্রকারীদের ।
আর বললে “বাঙ্গালী আমাকে মারবেনা”
       অথচ ওরা

Noimage

০৬ অগাস্ট ২০১৯, ২১:১১

নজরুলের সংগীতের আকরগ্রন্থ

Abu Sumain

কাজী নজরুল ইসলাম নিজে বলেছেন, ‘সাহিত্যে আমি কী দিয়েছি জানি না, তবে সংগীতে আমি কিছু দিতে পেরেছি।’ তার মানে তিনি তাঁর সংগীত সাধনা নিয়ে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এবং সংগীতের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতেন।

বিশের দশকের সূচনায় কুমিল্লায় অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করে দেশাত্মবোধক ও জাগরণী গান রচনার সূত্রপাত করেন নজরুল। বিশ শতকের বি

Noimage

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৮:২৪

আমার নায়করাজ : নির্মলেন্দু গুণ

Abu Sumain

নায়করাজ রাজ্জাক বেশ সুস্থই ছিলেন। কিছুদিন আগে একটি টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাকে দেখলাম, তিনি সেখানে কবরীর সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে রসিকতা করছেন। তাকে দেখে বেশ সুস্থই মনে হল। কিন্তু হঠাৎ করে এমন একটি ঘটনা ঘটে যাবে, এটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত। তার মৃত্যুর ঘটনাটি খুবই আকস্মিক, কারণ তিনি মাঝে বেশ অসুস্থ হয়ে আবার মোটামুটি সুস্থও হয়ে উঠেছিলেন। 

 

 

মাঝে এফডি

Noimage

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৮:২১

নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতা

Abu Sumain

নজরুল সেনা জীবনে প্রবেশ করেন ১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসে। তিনি ব্রিটিশ ভারতীয় সেনা বাহিনীর ৪৯ নম্বর বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের মাধ্যমে সেনা পরিবারের সদস্য হন। নজরুল ১৯২০ সালের মার্চ মাস অবধি করাচি সেনা নিবাসে সৈনিক জীবন যাপন করেন। তাঁকে সৈনিক জীবন স্থিরভাবে কাব্য ও জ্ঞান চর্চার সুযোগ এনে দিয়েছিল। নজরুলের করাচির সৈনিক জীবনকে তাঁর প্রতিভার সাজঘর বলা হয়।